অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে (৮ আগস্ট ২০২৪ – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটরের “সেফটি ট্র্যাকার” পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হুমকি, আটক, মামলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক চাপের একাধিক ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এই সময়ে মোট ১১৯টি পৃথক ঘটনায় ২৪৩ জনের অধিক সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক আটক, মামলা দায়ের, জিজ্ঞাসাবাদ এবং ব্যক্তিগত ডিভাইস জব্দ করার মতো ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শারীরিক হামলা ছিল সবচেয়ে বেশি ঘটনার ধরন, যেখানে অন্তত ৩৮টি ঘটনায় ৭৯ জন সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছেন। সংবাদ সংগ্রহের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা আক্রমণ, হুমকি ও বাধার ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও হত্যা, আত্মহত্যা ও রহস্যজনক মৃত্যুসহ ৭ জন সাংবাদিকের মৃত্যু, ১৫টি ঘটনায় ৩৫ জনের অধিক সাংবাদিককে সরাসরি হুমকি প্রদান এবং অন্তত ১০ জন সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতির ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমের প্রকাশনা বাধাগ্রস্ত হওয়া, অ্যাক্রেডিটেশন বাতিলের হুমকি, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং স্থানীয় পত্রিকার নিবন্ধন বাতিলের ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটরের যথাযথ সূত্র উল্লেখ করে এই তথ্য যে কেউ ব্যবহার, উদ্ধৃত বা পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন।
পূরো রিপোর্ট পড়ুন এখানে